মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন—এমন দাবি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে। খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তেহরান সরকারের আনুষ্ঠানিক লিখিত বিবৃতি বা স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন সূত্রে দাবি করা হয়, রাজধানী তেহরান ও এর আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় গভীর রাতে একাধিক দফায় বিমান হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলেও প্রচার করা হচ্ছে। তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান
ওয়াশিংটন ও তেলআবিব থেকে এখনো পর্যন্ত এ ধরনের কোনো যৌথ অভিযানের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন উচ্চপর্যায়ের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাওয়ার কথা।
আঞ্চলিক প্রভাবের আশঙ্কা
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সিরিয়া, লেবানন ও গাজা ইস্যুকে ঘিরে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই দাবি সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা গোটা অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশ্ববাজারে অস্থিরতা
খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক মন্তব্য করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হলে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।