টোকিও / ওয়াশিংটন
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচিকে সম্পূর্ণ ও মোট সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এটা একটি ব্যতিক্রমী আন্তর্জাতিক রাজনীতির ঘটনা, কারণ সাধারণভাবে কোনো দেশের নেতা সরাসরি অন্য দেশের নির্বাচনে সমর্থন দেয়নি।
ট্রাম্প কী বলেছেন?
ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে সানাই তাকাইচিকে সমর্থন জানিয়ে লিখেছেন, তিনি তার নেতৃত্বকে বলিষ্ঠ, শক্তিশালী ও বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন এবং জাপানের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যত গঠনে তাকাইচির সম্ভাব্য জয় গুরুত্বপূর্ণ হবে বলেও মন্তব্য করেছেন।
উপরন্তু তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৯ মার্চ তাকাইচিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছেন।
জাপানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি
জাপান গত কিছুদিনে পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে আগাম নির্বাচন ঘোষণা করেছে, যার ফলে আগামী মাসের সাধারণ নির্বাচনে জনগণ নতুন প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। এটা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সুসংহত করবার লক্ষ্যে নেওয়া একটি কৌশল বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
তাকাইচি লিবারাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (LDP)-এর নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা করে আসছেন এবং তার দল ও জোটটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব
ট্রাম্পের এই সমর্থন ঘোষণা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এমন সরাসরি সমর্থন জাপানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সাড়া ফেলতে পারে — বিশেষ করে বাম ও ডানপন্থী মতবাদ সম্পৃক্ত বিতর্কের মধ্যখানে। যদিও বিশ্লেষকরা মনে করেন এই ধরণের সমর্থন ভোটারদের আচরণে বিশাল পরিবর্তন আনবে কি না তা নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন।
এর পাশাপাশি জাপান ও চীনের মধ্যকার রাজনৈতিক উত্তেজনা, তাইওয়ান ইস্যু এবং সামরিক নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্প-তাকাইচি আলাপ ও রাজনৈতিক সমর্থনের প্রেক্ষাপটও বড় ভূমিকা রাখছে।