বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল হয়েছে এবং লোডশেডিং অনেকাংশে কমে এসেছে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আজ জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, কিছুদিন আগেও দেশে পেট্রোল ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল। এমনকি বিরোধী দলের সদস্যরাও সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “আল্লাহর রহমতে এখন আর পেট্রোলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যায় না। বিদ্যুতের লোডশেডিংও আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। সরকারের বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ এবং সমন্বিত পরিকল্পনার ফলে এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, দেশের জ্বালানি খাতকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে। “আমরা দলমত নির্বিশেষে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি,”—বলেন তিনি।
এ সময় মন্ত্রী দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একসময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ থেকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নেতৃত্বও দেশকে আরও এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। তিনি যা বলেন, তা-ই বাস্তবায়ন করেন—এই বিশ্বাস নিয়েই আমরা কাজ করছি।”
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ খুব শিগগিরই জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ খাতে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে।