বাংলাদেশ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য বরাদ্দ একটি তহবিল সরকারি ট্রেজারি বন্ড-এ বিনিয়োগ করা হয়েছে, যেখানে মূলভাবে এটি উচিত ছিল শিল্প খাতে সরাসরি বিনিয়োগের জন্য।এই বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফা দিয়ে বিদেশ ভ্রমণের খরচসহ বিভিন্ন ব্যয় করা হবে বলে জানা গেছে, যা কিছু অর্থনীতিবিদ ও শিল্পীরা সমালোচনা করেছেন।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ট্রেজারি বন্ড-এ বিনিয়োগের মাধ্যমে সুদ-সহ মুনাফা পেতে সুবিধা রয়েছে। সাধারণত ট্রেজারি বন্ড ও বিলগুলোতে বিনিয়োগ করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিরাপদ আয়ে অংশ নেওয়া যায়, কিন্তু শিল্প খাতের মূল কাজকর্মে বিনিয়োগ না করে বন্ড-এ অর্থ রাখা হলে তা শিল্পের জন্য রূপান্তরিত কর্মকাণ্ডে কম পরিমাণে অর্থ সরবরাহ করবে বলে সংশয় দেখা দিয়েছে।
বন্ড-এ বিনিয়োগের ফলে অর্জিত মুনাফা সাধারণত সরকারি প্রকল্প, পেনশন বা বীমা-সংক্রান্ত কাজে ব্যয় হয়। তবে এই অর্থ বিদেশ ভ্রমণের ব্যয় হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকায় আর্থিক বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন যে এটি কি পর্যাপ্তভাবে স্বচ্ছ ও উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার আওতায় রাখা হচ্ছে কি না।
অর্থনীতি বিশেষজ্ঞেরা মন্তব্য করেন, ট্রেজারি বন্ড ও বিল-এ বিনিয়োগ দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে, তবে শিল্প খাতে সরাসরি বিনিয়োগ কম হলে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি ধীর হতে পারে।
বিগত বছরগুলোতে ট্রেজারি বন্ড-এ সুদের হার ওঠানামা করলেও এটি ব্যাংক আমানত বা অন্যান্য বিনিয়োগের তুলনায় তুলনামূলক লাভজনক হিসেবে দেখা হয়।
তবে এ ধরনের সরকারি বিনিয়োগের ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিয়ে ভোক্তা গোষ্ঠী ও শিল্প সংগঠনগুলোর মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে, যাতে অর্থটি শিল্পখাতের বৃদ্ধিকে আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করতে পারে।