ঢাকা, বাংলাদেশ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সারাদেশে সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিং মল ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এবং ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগের দুই দিনে দোকানপাট বন্ধ রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনী পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ রাখা, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া নিশ্চিত করা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা।
নির্বাচন কমিশনও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মাঠ পর্যায়ে সতর্ক ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তাদের নজরদারি নিশ্চিত করবে যে, নির্বাচনের আগে কোনও ধরনের ব্যাঘাত বা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি না হয়।
নির্দেশনার আওতায়, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারিতে বন্ধ থাকবে
- সব খুচরা দোকান,
- বাণিজ্যিক মার্কেট ও শপিং মল,
- এবং বিপণিবিতান।
তবে জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যেমন—হাসপাতাল, ফার্মেসি, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
দোকান মালিকরা সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সম্পন্ন করতে। এছাড়াও, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যা নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। ফলে দুই দিন ধরে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও দোকানপাটে কার্যক্রম সীমিত থাকবে।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার ও ব্যবসায়ী সমিতি আশা করছে যে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হবে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।