জনগণের রায় পেলে ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা নিশ্চিত করবে বিএনপি

admin
By admin
2 Min Read

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের রায়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে দেশের অবহেলিত মসজিদের ইমাম, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সেখানে কর্মরত ব্যক্তিরা অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠন করতে পারলে এই শ্রেণির মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তারেক রহমান বলেন, “মসজিদের ইমাম ও খতিবরা সমাজে নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অথচ তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাদের জন্য সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, শুধু মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় নেতারাই নন, অন্যান্য ধর্মের পুরোহিত, পাদ্রি ও ধর্মীয় গুরুদের ক্ষেত্রেও ন্যায়সঙ্গত নীতি প্রণয়ন করা হবে।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মীয় সেবাদানকারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের লক্ষ্য

তারেক রহমান (বিএনপি চেয়ারম্যান )

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার নির্বাচিত না হওয়ায় জনগণের প্রকৃত চাহিদা ও কণ্ঠস্বর উপেক্ষিত হচ্ছে। তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই পারে অবহেলিত শ্রেণির কথা ভাবতে।

ধর্মীয় নেতারা শুধু ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ নন, বরং সামাজিক সমস্যা সমাধান, মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং নৈতিক শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তাই রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের জন্য ন্যূনতম আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

বক্তব্যে তিনি নির্বাচন প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় প্রতিষ্ঠা করাই এখন দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিএনপি জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে রাজপথে রয়েছে এবং থাকবে, বলেন তিনি।

এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান এবং দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শামিল হওয়ার অনুরোধ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ভাতার প্রতিশ্রুতি বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তা। এটি ধর্মীয় ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *