চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে দেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম ১৪ দিনে প্রবাসীরা দেশে প্রায় ২২০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রবাসীদের পাঠানো এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ভালো গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিয়মিতভাবে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠাচ্ছেন।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও ব্যাংকিং চ্যানেলের সুবিধা বৃদ্ধির কারণে প্রবাসীরা এখন বেশি করে বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও স্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামনে পবিত্র ঈদ ঘিরে প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনের জন্য আরও বেশি অর্থ পাঠাতে পারেন। ফলে চলতি মাসের শেষ দিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা আশা করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রিজার্ভ শক্তিশালী রাখতে রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।