তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করছেন। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদেরও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজধানীর বঙ্গভবন প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা সাজানো হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজনে।
সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক সূচনা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের পর সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী আজ শপথের মাধ্যমে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেবে।
সংসদের কার্যক্রম শুরু শিগগিরই
শপথ গ্রহণের পর নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হবে। সেখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
নবগঠিত সরকার দেশ পরিচালনায় কী ধরনের নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে, সে বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে আজকের শপথ অনুষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।